🌼 মা শীতলার পরিচয়

মা শীতলাকে সাধারণত গাধার ওপর আরোহী রূপে দেখানো হয়। তাঁর এক হাতে থাকে ঝাঁটা, আরেক হাতে থাকে একটি কুলো বা জলভর্তি কলস। ঝাঁটা দিয়ে তিনি রোগ-ব্যাধি দূর করেন এবং কলসের শীতল জল দিয়ে মানুষের দুঃখ-কষ্ট শান্ত করেন।

অনেক পুরাণে বলা হয়েছে, তিনি হলেন স্কন্দ পুরাণ-এ বর্ণিত এক শক্তিরূপা দেবী।

🌺 জন্মকথা

কথিত আছে, এক সময় পৃথিবীতে ভয়াবহ মহামারী ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ অসহায় হয়ে দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করে। তখন দেবতারা ভগবান শিব-এর কাছে সাহায্য চান। শিবের কৃপায় এক দেবী আবির্ভূত হন, যিনি মানুষের শরীর ও মনকে শীতল করে রোগ-ব্যাধি দূর করতে পারেন। তিনিই মা শীতলা।

আরও এক মতে, তিনি হলেন দেবী পার্বতী-এর এক বিশেষ রূপ, যিনি মানুষের কষ্ট লাঘব করতে অবতীর্ণ হন।

🌸 শীতলা পূজা

বাংলায় সাধারণত চৈত্র মাসে শীতলা পূজা পালিত হয়। এদিন ভক্তরা আগের দিন রান্না করা ঠান্ডা ভোগ যেমন পান্তা, ভাত, শাক ইত্যাদি নিবেদন করেন। কারণ “শীতলা” শব্দের অর্থই হলো শীতল বা ঠান্ডা — যা শান্তি ও আরোগ্যের প্রতীক।

পুরান অনুযায়ী, মা শীতলার প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধা থাকলে, তিনি রোগ-ব্যাধি ও মহামারী থেকে মানুষকে রক্ষা করেন।

🔔 মন্ত্র

মা শীতলার একটি প্রচলিত মন্ত্র:

“ওঁ শীতলায়ৈ নমঃ।”

আরো শক্তিশালী রূপে জপ করা হয়:

“ওঁ হ্রীং শ্রীং শীতলায়ৈ নমঃ।”

ভক্তিভরে ও শান্ত মনে জপ করলে মা শীতলার কৃপা লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

🌟 উপসংহার

মা শীতলার কাহিনি আমাদের শেখায় — স্বাস্থ্যই আসল সম্পদ। পরিচ্ছন্নতা, বিশ্বাস ও মানবতার মধ্য দিয়েই রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব। ভক্তি ও নম্রতা থাকলে দেবীর কৃপা সবসময় মানুষের সঙ্গে থাকে।

পবিত্র রূপ ও প্রতীক

দেবীর মুখমণ্ডল

🌸 মা শীতলার মুখে শান্তি প্রকাশ।

🌸 দৃষ্টিতে আশীর্বাদ ও সুরক্ষা।

🌸 ভক্তদের মনে আনে বিশ্বাস ও ভক্তি।

🌸 এই রূপে তিনি সবার কাছে পূজিত।

বাহন – গাধা

🌸 মা শীতলার বাহন হলো গাধা।

🌸 এটি সরলতা ও সহনশীলতার প্রতীক।

🌸 জীবনের কঠিন পথের ইঙ্গিত দেয়।

🌸 ভক্তদের নম্রতার শিক্ষা দেয়।

মন্দির ফলক

➤ শ্রী নারায়ন চন্দ্র দেওঘোরিয়া

ও দেওঘোরিয়া পরিবার সেবাইত।

➤ চৌতালা – ২০০৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত।

সাহায্য বা প্রশ্ন

যদি আপনার কোনো সমস্যা বা প্রশ্ন থাকে,
অনুগ্রহ করে আমাদের জানান।
আমরা চেষ্টা করব আপনাকে সাহায্য করার।

📞 ফোন: +91 9933964822

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন

ফিডব্যাক দিন